“অগ্নিশুদ্ধা”
কলমে সোনালী
সর্ষে তে ভূত মানতে কষ্ট হলেও
মেনে নিতে হয়,এমনও অনেক ছুরি থাকে,
যা সকলের চোখেই সব সময়
শনাক্ত বা উন্মুক্ত নয়। তবে কালের আবরণ
সরে গেলে,সে যে তিলে তিলে দংশে চলেছে,
প্রতিনিয়ত,বিশ্বাসের ঢালে,চরের ভূমিকায়,
তা প্রকট থেকে প্রকটতর হয়।
বিবেচনা কে উপেক্ষা করে,
আবেগকে প্রাধান্য দিলে,এমনই পরিণতি
হয়, তা নাক কান মুলেও,
ভুক্তভোগী মানুষ কে জানে কেন
নির্লজ্জের মত বারবার ভুলে যায়!!
কে যোগ্য কে অযোগ্য তা নির্ধারণ করা
নিঃসন্দেহেই সকলের কাজ নয়,
তবে মহাকালের অঙ্গুলি হ্যালনে,
যেমন অনুভূতি ব্যাপারীদের গালে
বার বার সপাটে পড়েছে চড়,
দেরিতে হলেও তাই হবে,এর অন্যথা নয়।
বিশ্বাসের অন্তিম শেকড়ে লাগলে ঘা,
ঘুরে দাঁড়ায় মানুষ,তাই…
“কেউ কোথাও ছিল না,নেই,থাকবে না,
বদলে যাবে শুধু প্রতারকদের মুখ
আর প্রতারণার ধরন “এই বোধ টুকু
একবারের জন্য হলেও চোখ বুজে,দাঁত চেপে
কোনরকমে শিরা উপশিরা আর ধমনীর ভেতর,
তীব্র জ্বালা ধরা নীল গরলের মত
সহ্য করে নিতে হবে, ব্যাস! এরপরই
ধরা দেবে চিরশান্তি।মহাকালের দুর্লভ আশীর্বাদে
অভিষিক্ত হয়ে উঠবে সত্তা, যে একাই একশটি
মহাভারত পরিচালিত করতে পারবে।
স্বার্থে ঘা লাগলে,রাজা থেকে ফকির সবাই
বিরুদ্ধে দাঁড়ায়,কিন্তু তাতে থেমে থাকে না সত্যের রথ,
মুষড়ে পড়ে না,মানবী অস্তিত্ব,বরং তা অগ্নিতে
পুড়ে,পুড়ে হয়ে ওঠে জল স্থল অন্তরীক্ষে,
এক চিরন্তন প্রতিবাদী রূপ,নাম —
“অগ্নি শুদ্ধা”।