আজ সুন্দরী যুবতী,কাল থুরথুরে বুড়ি টি
পরশু,শ্মশান কিংবা লাশকাটা ঘরে পড়ে থাকা নিথর বডি টি। তারপর??….
চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে গিয়ে,ধুতরা ফুলের মালা গলায় ঝুলিয়ে সোনালী, রুপালি অথবা কাঠের ফ্রেমে বাঁধানো নিষ্প্রাণ কোন ছবিটি!!
তাই জাগো,ওঠো,ছোট,সাধ্যমত কিছু না কিছু কর। সময়,বয়স এইসব কিছুকে বাধা বলে ভাবার কোন কারণ নেই। আমি অত্যন্ত সাধারণ একজন মানুষ। বাণী বিতরণ করা আমার সাধ্য না। তবে দেরিতে হলেও আমি উপলব্ধি করেছি স্বামী বিবেকানন্দের সেই মহান বাণী “নরের মধ্যে নারায়ণ” জীব সেবা মানেই নারায়ন সেবা বা শিব সেবা । কিন্তু এই মহান অর্থের পাশাপাশি আমি নিজের বোধ বুদ্ধি যুক্তি দিয়ে এর আরও একটা মানে অনুভব করেছি। যে প্রত্যেকটি নর-রূপী মানুষের অন্তরে তাহলে নারায়ন রুপী অন্তর দেবতার বাস। আর তিনি ই আমাদের আত্মশক্তির উৎস। তাহলে তো তাঁর আরাধনা আবশ্যক। কারণ তাঁকে উপেক্ষা করে, অসম্মান করে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোন দেবতাকেই তুষ্ট করা সম্ভব নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিভিন্ন গল্প কবিতাতেও ঘুরেফিরে বারবার এসেছে এই জীবন দেবতা তথা অন্তর দেবতার কথা। তাই বলতে ই পারি যে, জীবন দেবতা বা অন্তর দেবতার আরাধনা করতে হলে, নিজের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হতে হবে । আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। কারণ তবে ই আত্মশক্তির জাগরন ঘটবে, চিন্তাশক্তির যথার্থ উন্মোচন হবে। আর তা না হলে পরিণতি স্বরূপ অনুশোচনার পাহাড় বুকে চেপে নিয়ে একদিন বিলাপ করে বলতে হবে,
“মানবজমিন রইল পতিত,আবাদ করলে ফলতো সোনা।”🙏🙏