“লোভে পাপ পাপে মৃত্যু”
কলোমে সোনালী
আগের বিছানায় সাত বছর
আর এই বিছানায় সাত,
সাতে সাতে ১৪ গেল,
তবুও বদলালো না জাত।
যে ঘর ঢেলে মূল্য দিল,
মোছালো দেহের কালী,
করে,সেই ঘরেরই থালায় ছেদ,
ওপর চালাকি খালি??
ঈর্ষার ফল পাকলে পরে,
বেলের মতো পড়ে,
কল কব্জা কাজ করে না,
জানলে ১৪ বছর পরে!
বন্ধা গাছে ফল ধরে না,
ফুল ধরে না জানি
কিন্তু দূর্বুদ্ধি যে ঠিকই ফলে,
সেই কথাটাও মানি।
বুকের আচল সরিয়ে ঘোরা,
যার ফ্যাশন সিম্বল,
লোকের চোখে ভালো সাজতে
তার কতই না ঢলা ঢল,
এতকাল যার পা পড়েনি
শ্বশুরালয়ের ভিটেয়,
আজ সেই ভিটেতেই আঠার মত
রয়েছে চিপটে চিপটে।
মানহীনারা মান ই নেবে,
যদিও সেটা জানি
ফাদিয়ে নকল নাটকের ফাঁদ
করতে হয়রানি।
দুখানা না হয় বই লেখ মা
তবেই জানি মুরোদ।
চেকবুক আর দলিল ফেলে
না হয় বাজালেই একটু শরোদ।
তাহলেই দেখবে নোংরা চিন্তা
আর আসবে না নোংরা মনে
কুম্ভিরাস্রু আর হবে না ফেলতে
কারোর খুনের আশঙ্কা করে!!
টাকার লোভ বেজায় লোভ
সে তো সবাই জানি
প্রতিভার দৌড় ও একটু দেখাও দিদি
তবেই তোমায় মানি।
কয়েকটা ছড়া লেখ তো দেখি
যাতে সবাই আদর করে,
একখানা গানই গাওনা না হয়
কে আর বারণ করে?
লোক হাসানো চিটিংবাজি,
চিটিংবাজেরই কাজ
তবে সেয়ানা পাগল থাকলে সাথে,
হাসিল হবেই কাজ।
তবে অফিস পাড়ায় সাহেব সুবো,
নিজের পাড়ায় ও কেয়া বাত!
অথচ অন্যের ইমেজ নষ্ট করতে
ছক্কা কিস্তিমাত।
কিছুদিনও যার শোক মরেনি
সে মান কারতে এলো
ফেলে দেওয়া জিনিস কুড়িয়ে
বালকের একি স্বভাব হলো!
মাকাল ফলের হম্বিতম্বি
আর কটা টাকার দৌড় ও নিয়ে
আর চলবে কত?
তুচ্ছ খ্যামটা খেউর!!
এখন আবার চক্ষুশূল
ওয়েবসাইডে নজর
বিচুটি পাতার জ্বালায়,জ্বলে
বাড়ায় বেড়াল বংশধর।
কয়েকটা দিন আর বেঁচেই নাও মা
ভিক্ষা দিলাম আমি,
এরপরে যে কি খেল আছে
জানেন অন্তর্যামী।